ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগেরই ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা তিনি। ছেলেও আওয়ামী লীগের সমর্থক।

বাবা ও ছেলে ব্যবসা করেন; কিন্তু স্থানীয় সন্ত্রাসীদের চাঁদা দিতেই হয়। সেটি দিতে অস্বীকার করেছিলেন। সে কারণে এই বাবা ও তাঁর ছেলেকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেন ‘আব্বা বাহিনী’র সদস্যরা।